বন্দর ও বহিনোঙ্গরে কর্মরত শ্রমিকদের নিরাপত্তা দাবি

বন্দর ও বহিনোঙ্গরে কর্মরত শ্রমিকদের নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে চট্টগ্রাম কোস্টারহেজ ঠিকাদার শ্রমিক ইউনিয়ন।

বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) বিকালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি মো. আলমগীর এ দাবি জানান।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম কোস্টারহেজ ঠিকাদার শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজি: চট্ট-১৪০৫) গত ১/১১ এর সংকটকালিন সময়ে সংগঠনের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। দীর্ঘ সংগ্রামের ফলে ২০১৯ সালের ২৬ অক্টোবর মাননীয় শ্রম প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান ও তৎকালীন নৌপরিবহন মন্ত্রীসহ শ্রম মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় স্টিভিউটরিং কর্মচারি, ডক, মার্চেন্ট ও কোস্টারহেট শ্রমিকদের যাচাই-বাছাই করে নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়।

মো. আলমগীর বলেন, ২০১৩ সালের ২ জুলাই চেম্বার সভাপতি মাহাবুবুল আলম মহোদয় যাচাই-বাছাই করা শ্রমিকদের কাজ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। সেই থেকে আমরা সাধারণ শ্রমিকদের নিয়ে বর্তমান পর্যন্ত অত্যন্ত দক্ষতার সাথে কাজ করছি। ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম কোস্টারহেজ ঠিকাদার শ্রমিক ইউনিয়নের উপদেষ্টাগণের পরামর্শ মোতাবেক মো. সফর আলীকে চেয়ারম্যান করে নির্বাচন উপকমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটি নির্বাচন সম্পন্ন করে নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণা করেন। গত ২০২০ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের ফলাফল রেজিস্ট্রার অব ট্রেড ইউনিয়ন বরাবর দাখিল করা হয়েছে এবং আমরা ইউনিয়নের সর্বশেষ নির্বাচিত বৈধ কমিটি।

চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রিজ ঘেরাও দুঃখজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, কিছু সংখ্যক বহিরাগত সন্ত্রাসী বন্দরের শান্তি, শৃঙ্খলা ভঙ্গ, অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে বহির্বিশ্বে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন ও সরকারের সুনাম নষ্ট করার লক্ষ্যে বিএনপি-জামায়াতের যোগসাজশে ন্যাক্কারজনক কাজ করেছে। আমরা এমন কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানাই এবং এ ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, বহিরাগত সন্ত্রাসীরা বিভিন্নভাবে অনুমতি ছাড়াই বহিনোঙ্গরে মাদার ভেসেলে উঠে সন্ত্রাসী কায়দায় আমাদের শ্রমিকদের মারধর করে জাহাজ থেকে নামার চেষ্টা করে। এ ঘটনায় পতেঙ্গা থানায় মামলা করা হয়েছে। এরপর চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা কিছুদিন চুপ থাকার পর পুনরায় হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। এ অবস্থায় বন্দর ও বহিনোঙ্গরে কর্মরত শ্রমিকদের নিরাপত্তার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বন্দরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অনুরোধ করছি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কার্যকরী সভাপতি মহিউদ্দিন কবির, জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি মো. আমিন দোভাষ, সহ-সভাপতি ওবায়দুল কবির মিন্টু, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির সফি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হোসেন, সহ-সম্পাদক মো. মানিক মোল্লা, কোষ্যধ্যক্ষ জিয়াউল হক বাবুল, দপ্তর সম্পাদক অহিদুল আনোয়ার আরমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মো. জসিম উদ্দিন ও প্রচার সম্পাদক মোহাম্ম কামাল।

সিএনএ

 spankbang