মুক্তিপণ দিয়ে মুক্তি পেল বাদশা মাঝি

 ১৯ই মার্চ ভোররাতে মাছ ধরতে ব্যস্ত এফবি তানিয়ার মাঝি মাল্লা।তাদের উপর অতকিত গুলি করে রক্তাত্ত করে উক্ত বোটের জেলেদের।তাদের মধে্য একজনের অবস্থা অশংকাজনক হলেও দুইজন চমক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।ঘটনাস্থল থেকে বাদশা মাঝিকে অপহরণ করে জলদসু্যদের আস্থানায় নিয়ে যায়।আস্থানার থেকে উক্ত বোটের মালিকের কাছে ৩লক্ষ টাকা দাবি করে।দাবীকৃত টাকা না দিলে মাঝিকে মেরে ফেলার হুমকি দেন।নিরুপায় হয়ে দসু্্যদের সাথে একলক্ষ টাকার বিনিময়ে বাদশা মাঝিকে মুক্তি দিতে রাজি হয। জরদসু্যদের দাবী অনুযায়ী রবিবার সকাল ১০টায় প্রথম ২০হাজার টাকা দেওয়া হয়।পযার্ক্রমে উক্ত বিকাশে ৬০ হাজার টাকা দিলে অপহরণকারী জরদসু্যরা বাদশা মাঝিকে ছেড়ে দেয। ৮০হাজার টাকা মুক্তিপণ দিয়ে মুক্ত হন বাদশা মাঝি। অপহ্নত বাদশা মাঝি বলেন.আমাকে অপহরণ করে কোম্পানীর কাছে ৩লক্ষ টাকা দাবী করে। কোম্পানি মুক্তিপণের টাকা দিয়ে আমাকে মুক্ত করেন। এফবি তানিয়ার মালিক জিয়া বলেন.তাদের দাবী অনুযায়ী টাকা দিয়ে মাঝি মুক্ত করি।আশা করব প্রশাসন সাগরকে নিরাপদ করতে উদে্যাগ নেবেন।সামুদ্রিক মৎস্য আহরনকারী বোট মালিক সমিতির যুগ্ন সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বলেন.গত দুই বছর প্রশাসনের সহযোগিতায সমুদ্রকে জলদসু্যমুক্ত রাখতে পারলেও জামিনে আসা জলদসু্যদের জনে্য সমুদ্র আতংক সৃষ্টি হযেছে।আগে তারা মাছ নিয়ে যেত কিন্তু তারা মাঝিমাল্লা অপহরণ করে টাকা আদায় করছে।আমরা প্রশাসনের কোন সহযোগিতা পাচ্ছি না দুইদিন ঘুরে মামলা তো দুরের কথা জিডিও করতে পারি নাই।এখন সমুদ্রে মাছ নাই তার জনে্য আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি তার মধে্য জরদসু্যদের ভয়ে সমুদ্রে যাচ্চে না মাঝিমাল্লা।প্রশাসনের আমরা আমাদের বোটের মাঝিমাল্লাদের নিরাপত্তা চাই।
 spankbang