শাম্মী তুলতুল ঔপন্যাসে ও শিশুসাহিত্যে,পেলেন

সাহিত্যিক শাম্মী তুলতুল ঔপন্যাসে ও শিশুসাহিত্যে,পেলেন স্বাধীন বাংলার প্রথম সংবাদপত্র বীর চট্টলার “দৈনিক আজাদীর” প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক আলহাজ মোহাম্মদ আব্দুল খালেক ইঞ্জিনিয়ার সন্মাননা। ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল খালেক ছিলেন সংবাদপত্রের অন্যতম পথিকৃৎ। গতকাল হয়েছিল তাঁর ৫৮ তম মৃত্যুবার্ষিকী ।অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় ৩ অক্টোবর শনিবার ২০২০ নগরীর রীমা কনভেনশন হল চট্টগ্রামে বঙ্গবন্ধু একাডেমি কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক। সেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন আলহাজ খোরশেদ আলম সুজন, প্রশাসক চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। সভাপতিত্ব করেন প্রফেসর মোহাম্মদ আনোয়ারুল আজিম আরিফ, সাবেক উপাচার্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় । মুখ্য আলোচক ছিলেন, প্রফেসর বিকিরণ প্রসাদ বড়ুয়া একুশে পদক প্রাপ্ত ও বীর মুক্তিযোদ্ধা। অনুষ্ঠানে অতিথিরা ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল খালেকের কর্ম ও উনার বিভিন্ন কাজ আলোচনা করেন। আলোচনা শেষে এগারোজনকে এই সন্মাননা দেওয়া হয়। সঞ্চালক ছিলেন সৈয়দ দিদার আশরাফী, সাংবাদিক ও সাধারন সম্পাদক বঙ্গবন্ধু একাডেমি কেন্দ্রীয় কমিটি।এখানে শাম্মী তুলতুল সহ আরও মোট এগারোজনকে বিভিন্ন পদে সন্মাননায় ভূষিত করা হয়। শাম্মী তুলতুল বাংলাদেশের তরুণ জনপ্রিয় লেখকের অন্যতম। লেখালেখি করে যাচ্ছেন ছোট থেকেই দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে বাংলাদেশ- ভারতের প্রথম সারির জাতীয় পত্রিকাগুলোতে। তিনি দৈনিক আজাদী পত্রিকার নিয়মিত একজন লেখকও। তাছাড়াও বই বেড়িয়েছে ১৪ টি। তিনি বলেন, এই সন্মাননা তাকে অনেকটাই আপ্লুত করেছে। তিনি ভাবতেও পারেনি হুট করে এমন একটি খবর আসবে।আর এই পুরস্কারে অত্যন্ত অত্যন্ত খুশী কারণ আজাদী পত্রিকায় আমি ছোট থেকে এখনো লিখালিখি করে যাচ্ছি। কারণ ইঞ্জিনিয়ার খালেক স্যার এর আজাদী পত্রিকায় লিখতে পারা মানেই চট্টগ্রামের লেখকের জন্য একটা বড় লেখক সার্টিফিকেট।তাই এই সন্মাননা আমার জন্য অতি গৌরবের।আমি এই সন্মাননা আমার সকল পত্রিকার সম্পাদক, সকল পাতার সম্পাদক বাবা- মা আর আমার পাঠকদের উৎসর্গ করলাম।

 spankbang