চন্দনাইশ কাঞ্চন নগরের পেয়ারা সেরা

নিজস্বপ্রতিবেদকঃ কাঞ্চন নগর থেকে ফিরে চন্দনাইশ কাঞ্চন নগরের পেয়ারা সেরা বাগান দেখতে বৃহস্পতিবার ভোর ৬ টায় মোটরবাইক নিয়ে রওনা দিলাম আমরা দুই সহকর্মী চন্দনাইশ কাঞ্চন নগর পাহাড়ে পেয়ারা বাগান থেকে পেয়ারা সংগ্রহ করা ছবি তোলার উদ্দেশে। ছুটছি শহর থেকে গ্রাম প্রান্তরে পটিয়া বাইপাস সড়ক পেরিয়ে ছুটে চললাম।পাকা সড়ক শেষে ু মেটোপথে বাইক নিয়ে ছুটে যাচ্ছি।কিছু দুর যেতে যেতে রাস্তার দুপাশে লম্বা লম্বা কাশফুলে ভরা কাশফুলছাড়া আর কিছু দেখা যাচ্ছেনা বাইক নিয়ে যেতে ভয় করছে সহকর্মী বলে বাইক যতটুকু নিয়ে যাওরা যায় ঠিক ততটুকু নিয়ে যাবো।তবে মানুষের কোন আনাগোনা না দেখে আমরা একটু হতভাগ হই আমরা কোথায় যাচ্ছি কতটুকু যেতে হবে জানিনা তবুও মনে সাহস নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি
তবুও ছুটছি পেয়ারা বাগান থেকে সংগ্রহ করা বেপারিদের ছবি তুলবো যেতে
যেতে মাঝপথে পাহাড় থেকে দুই বেপারি কাধেঁ ভার নিয়ে ফিরছে পেয়ারা নিয়ে তাদের দেখে আমাদের সাহস বেড়ে গেলো । তাদের চোখে মুখে ঘামের ফোটা শাটের বোতাম খোলা এভাবে কাধেঁ করে বাজারে নিয়ে যাচ্ছে বিক্রির জন্য এসব পেয়ারা। তাদেরকে বললাম ভাই আর কতটুকু ভিতরে যেতে হবে তারা বললো বাইক নিয়ে যেতে পারবেন না বাইকটি রাস্তার একপাশে রেখে যান এখানে কেউ ধরবেনা। তাদের কথা মত বাইকটি রাস্তার একপাশে রেখে থালা মেরে রাখলাম। হাটঁতে হাটঁতে পাহাড়ে উঠতে লাগলাম পাহাড়ের উপরে উঠে দেখি দুইজন লোক গাছ থেকে বাশেঁর কোটা দিয়ে পেয়ারা সংগ্রহ করছে এবং সংগ্রহ করা পেয়ারা গুলো প্রথমে গাছের নিছে স্তুপ করে রাখছে । প্রথমে তাদের পেয়ারা পারা দেখে ভালোই লাগলো ।শেষ পর্যন্ত পেয়ারা বাগানে পৌছলাম তারা আমাদের দেখে বললেন এত ভিতরে পাহাড়ে কেমনে আসলেন এখানেতো কোন সাংবাদিক ছবি তুলতে আসেনা সবাই বাজারে এসে ছবি তুলে চলে যায়, যাক আগে পেয়ারা খান ছবি পরে তুলিয়েন। অন্যপাশে পেয়ারা সংগ্রহ করছে আফজাল নামের এক বেপারি ছবি তুলতে তুলতে তার সঙ্গে কথা হয় সে জানায় দীর্ঘ সতের বছর ধরে বাগান লিচ নিয়ে পেয়ারা ব্যবসা করে আসছে। তিনি বলেন, সকাল ভোর পাচঁটায় বাগানে এসে পেয়ারা সংগ্রহ করে সকল বেপারি রা ঠিক সকাল আটটার মধ্যে বাজারে পৌছতে হয় এগারটার মধ্যে বিক্রি শেষ করে বাড়ীতে ফিরে যায় সবাই। অন্যান্য বছর থেকে এবছর একটু পেয়ারার দামটা বেশী হওয়ায় মৌসুমী ব্যবসায়ীরা লাভবান হচ্ছেন বলে জানিয়েছে তিনি। কথা বলতে বলতে এবার তারা সকল পেয়ারাগুলো থোকা থোকা গাছের পাতা সহ ছোট বড় সাইজের পেয়ারা সাজিয়ে লাল কাপড়ে বাধঁতে শুরু করলো । তখন ঠিক সকাল আটটা আফজাল বললেন চলেন আমাদের সাথে রোশন হাটে পাহাড়ে এখন আর গরমের জন্য থাকা যাবেনা। আমরাও তার কথামত ছুটলাম বাজারের দিকে যেতে যেতে পাহাড় থেকে কাঁেধ পেয়ার ভার নিয়ে ছুটছে একেরপর এক বেপারীরা। কারও ভার ছোট আবার কারও ভার বড় ।
রোশন হাটে পেয়ারা বাজারে গিয়ে দেখলাম সবাই পেয়ারার ভার নিয়ে রাস্তার একপাশে বসে আছে সকল বেপারীরা। নিদিষ্ট কোন বাজার না থাকায় যানজটের সৃষ্টি হক্রেতারা ভারটি হাতে নিয়ে একটু করে ওজন করে দেখছেন তারপর দরদাম করে কেউ সিএনজিতে কেউ আবার মিনি ট্রাকে ভর্তি করে নিয়ে যাচ্ছেন। প্রতি ভার বারশ থেকে ১৬ শ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করতে দেখা গেছে। অনেকে খুচরা ব্যবসায়ী এসে নিয়ে যাচ্ছে এসব পেয়ারা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রোশন হাটে এক ব্যবসায়ী বলেন,রাস্তায় পেয়ারা বাজারের জন্য অনেক ব্যবসায়ীদের দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তেমনি যানজটের কারনে স্কুল কলেজ পড়–য়া ছাত্রছাত্রীদের সময় ব্যঘাত ঘটছে প্রতিনিয়ত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*