চট্টগ্রামে হতাশ তরমুজে

নগরীর ফিরিঙ্গীবাজার আড়তগুলোতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ট্রাকে অল্প অল্প করে আসছে বিভিন্ন সাইজের রসালো লাল তরমুজ । তবে কিছুদিন আগে মৌসুমের শুরুতে প্রবল বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টি হওয়ার কারনে তরমুজের আবাদ ভালো হয়নি বলে চাষীরা পরেছে বিপাকে এমনটাই জানালেন ব্যবসায়ীরা। অধিকাংশ শতকরা তরমুজ ফসল ক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে হঠাৎ বৃষ্টির কারণে এবছর তরমুজ চাষকরে লোকসান গুণতে হচ্ছে চাষীদের। এদিকে ফিরিঙ্গীবাজার আড়তগুলোতে শুক্রবার ঘুরে দেখা গেছে বেশীর ভাগ আড়তগুলোতে তরমুজ তেমন একটা দেখা যায়নি, দাম বেশী হওয়ায় আড়তদার লোকসান পোহাতে হবে ভেবে বেশী জমা করে রাখছে না কিছু কিছু আড়ত ব্যবসায়ীরা। তবে দু কয়েকটি আড়তে দেখা গেছে সাড়িঁ সাড়িঁ স্তুপ করা তরমুজ। ছোট বড় মাঝারি সাইজের তরমুজ সাজিয়ে রাখছেন আড়তদারের কর্মচারিরা ।জানা গেছে, প্রতিবছর মৌসুমে নোয়াখালী সূর্বণচর, ভোলা, বরিশাল,পটুয়াখালী, রাঙ্গামাটি সহ বিভিন্ন জেলা থেকে ফিরিঙ্গীবাজারে হাজার হাজার তরমুজ আড়তে আসতো সে তুলনায় এবার অধিকাংশ কম। এদিকে সাতকানিয়া থেকে তরমুজ ক্রয় করতে আসা এক দোকানদার বলেন,এবছর ফলন ভালো হয়নি বলে ডাবল দাম দিয়ে ক্রয় করতে হচ্ছে কি করবো ব্যবসা তো করতে হবে।তাছাড়া দাম বেশী হওয়ার ব্যাপারটা সাধারণ ক্রেতাদের বোঝানো যায়না এবং সবসময় দাম কম মনে করে ক্রেতারা। এব্যাপারে আড়তদার ব্যবসায়ী আলম জয়নিউজকে বলেন, তরমুজ ব্যবসা একবারে মন্দা বড় সাইজের তরমুজ গুলো একশত বিক্রি করতে হচ্ছে পনের ষোল হাজার টাকা মাঝারি বিক্রি হয় আট থেকে দশ হাজার টাকার মধ্যে।মৌসুমের আগেভাগে চাষীদের অগ্রীম টাকা দিয়েছে ফিরিঙ্গীবাজারের আড়তদাররা সে অনুযায়ি আড়তে তরমুজ আসতেছেনা তাই বেশীরভাগ আড়ত বর্তমানে ফাঁকা।

 spankbang