চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে আনসার কমান্ডারের রাজত্ব

 

চট্টগ্রাম শাহ আমানত আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরে কর্তব্যরত আনসার প্লাটুন কমান্ডার (পিসি) মো. শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে আনসার সদস্যদের ইচ্ছেমত ছুটি প্রদান, বিমানবন্দরে পছন্দমত স্থানে আনসার সদস্যদের নিয়োগসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তবে শফিক তার বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
সূত্র জানায়, শফিকের অধীনে ২০০ জন আনসার সদস্য শাহ আমানত বিমানবন্দরে কাজ করে। কোন সদস্য বিমানবন্দরের কোন স্থানে কাজ করবে সেটা নির্ধারণ করেন শফিক। এছাড়া আনসার সদস্যদের ছুটির বিষয়টিও তার হাতে রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী একজন আনসার সদস্য তিন মাসে ১০ দিন ছুটি কাটাতে পারেন। কিন্তু শফিক টাকার বিনিময়ে আনসার সদস্যদের ইচ্ছেমত ছুটি প্রদান করে। ফলে ওই আনসার সদস্য কাগজে-কলজে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকলেও মূলত সে তখন ছুটি কাটাচ্ছে। আর কর্মস্থলে উপস্থিত থাকার সুবাদে বেতন-ভাতাও চলে আসছে নিয়ম মত।
অনুসন্ধানে জানা যায়, শফিকের অধীনে কর্মরত আনসার সদস্য মো. ফরিদ আলী ২০১৮ সালের ১৪ জুলাই থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত ছুটি কাটিয়েছেন। মো. আল আমিন হোসেন ৩ অক্টোবর থেকে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত ছুটি কাটিয়েছেন। মো. ফারুকুল ইসলাম ১৮ নভেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর, মো. সজিব হোসেন ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত ছুটি কাটিয়েছেন। এছাড়া মো. আহাদুল মোল্লা একটানা ৪৫ দিন ছুটি কাটিয়েছেন। তবে ছুটিতে থাকলেও তাদের বেতন-ভাতা ঠিকই পেয়েছেন। কারণ শফিকুল ইসলাম তাদের কর্মস্থলে উপস্থিত দেখিয়েছেন। এর জন্য প্রতি মাস বাবদ একেক জন আনসার সদস্যের কাছ থেকে ৬ হাজার টাকা করে নিয়েছেন শফিক। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আনসার সদস্য বলেন, চাকরির ভয়ে কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলছেনা। মহিলা আনসারও নির্যাতিত কিন্তু কেউ কিছু বলতে পারছেনা ।

সূত্র জানায়, শফিকের অধীনে ২০০ জন আনসার সদস্য শাহ আমানত বিমানবন্দরে কাজ করে। কোন সদস্য বিমানবন্দরের কোন স্থানে কাজ করবে সেটা নির্ধারণ করেন শফিক। এছাড়া আনসার সদস্যদের ছুটির বিষয়টিও তার হাতে রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী একজন আনসার সদস্য তিন মাসে ১০ দিন ছুটি কাটাতে পারেন। কিন্তু শফিক টাকার বিনিময়ে আনসার সদস্যদের ইচ্ছেমত ছুটি প্রদান করে। ফলে ওই আনসার সদস্য কাগজে-কলজে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকলেও মূলত সে তখন ছুটি কাটাচ্ছে। আর কর্মস্থলে উপস্থিত থাকার সুবাদে বেতন-ভাতাও চলে আসছে নিয়ম মত।
অনুসন্ধানে জানা যায়, শফিকের অধীনে কর্মরত আনসার সদস্য মো. ফরিদ আলী ২০১৮ সালের ১৪ জুলাই থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত ছুটি কাটিয়েছেন। মো. আল আমিন হোসেন ৩ অক্টোবর থেকে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত ছুটি কাটিয়েছেন। মো. ফারুকুল ইসলাম ১৮ নভেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর, মো. সজিব হোসেন ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত ছুটি কাটিয়েছেন। এছাড়া মো. আহাদুল মোল্লা একটানা ৪৫ দিন ছুটি কাটিয়েছেন। তবে ছুটিতে থাকলেও তাদের বেতন-ভাতা ঠিকই পেয়েছেন। কারণ শফিকুল ইসলাম তাদের কর্মস্থলে উপস্থিত দেখিয়েছেন। এর জন্য প্রতি মাস বাবদ একেক জন আনসার সদস্যের কাছ থেকে ৬ হাজার টাকা করে নিয়েছেন শফিক।সদস্যদের থেকে টাকা নিয়ে নানা সুবিধা দেয়ার অভিযোগ
বিমানবন্দরে আনসার প্লাটুন কমান্ডার শফিকের রাম রাজত্ব
চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কর্তব্যরত আনসার প্লাটুন কমান্ডার (পিসি) মো. শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে আনসার সদস্যদের ইচ্ছেমত ছুটি প্রদান, বিমানবন্দরে পছন্দমত স্থানে আনসার সদস্যদের নিয়োগসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তবে শফিক তার বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
সূত্র জানায়, শফিকের অধীনে ২০০ জন আনসার সদস্য শাহ আমানত বিমানবন্দরে কাজ করে। কোন সদস্য বিমানবন্দরের কোন স্থানে কাজ করবে সেটা নির্ধারণ করেন শফিক। এছাড়া আনসার সদস্যদের ছুটির বিষয়টিও তার হাতে রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী একজন আনসার সদস্য তিন মাসে ১০ দিন ছুটি কাটাতে পারেন। কিন্তু শফিক টাকার বিনিময়ে আনসার সদস্যদের ইচ্ছেমত ছুটি প্রদান করে। ফলে ওই আনসার সদস্য কাগজে-কলজে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকলেও মূলত সে তখন ছুটি কাটাচ্ছে। আর কর্মস্থলে উপস্থিত থাকার সুবাদে বেতন-ভাতাও চলে আসছে নিয়ম মত।
অনুসন্ধানে জানা যায়, শফিকের অধীনে কর্মরত আনসার সদস্য মো. ফরিদ আলী ২০১৮ সালের ১৪ জুলাই থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত ছুটি কাটিয়েছেন। মো. আল আমিন হোসেন ৩ অক্টোবর থেকে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত ছুটি কাটিয়েছেন। মো. ফারুকুল ইসলাম ১৮ নভেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর, মো. সজিব হোসেন ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত ছুটি কাটিয়েছেন। এছাড়া মো. আহাদুল মোল্লা একটানা ৪৫ দিন ছুটি কাটিয়েছেন। তবে ছুটিতে থাকলেও তাদের বেতন-ভাতা ঠিকই পেয়েছেন। কারণ শফিকুল ইসলাম তাদের কর্মস্থলে উপস্থিত দেখিয়েছেন। এর জন্য প্রতি মাস বাবদ একেক জন আনসার সদস্যের কাছ থেকে ৬ হাজার টাকা করে নিয়েছেন শফিক।
এদিকে, বিমানবন্দরের কোন পয়েন্টে কোন আনসার সদস্য কাজ করবেন সেটাও ঠিক করে দেন শফিক। যেসব পয়েন্টে টাকা কামানোর সুযোগ বেশি সেসব পয়েন্টে টাকার বিনিময়ে সদস্যদের নিয়োগ দেন তিনি। যেমন কাস্টম গেটে প্রতি শিফটে ১৫০ টাকা করে দুই শিফট, ড্রাইভওয়ে (১,২) প্রতি শিফটে ২০০ করে দুই শিফট, পার্কিংয়ে ১ জন ১০০ টাকা করে তিন শিফট, মেইন গেইট প্রতি শিফট ২০০ টাকা করে চার শিফট, শহীদ মিনার এলাকা ১০০ টাকা করে দুই জন। ভিআইপি ৬নং গেটে মাসিক ৫ হাজার টাকা। ১০ নং গেটে মাসিক ৪ হাজার এবং ৭ নং গেটে মাসিক ৩ হাজার টাকা। কার্গো শাখায় মাসিক ১০ হাজার টাকা। এসব পয়েন্টে যেসব সদস্যরা নিয়োগ পান তাদের এ পরিমাণ অর্থ দিয়েই কাজ করতে হয়। নাহলে এসব পয়েন্টে তাদের নিয়োগ দেয়া হয় না।
এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শফিকুল ইসলাম বলেন, আমার পেছনে একটি স্বার্থান্বেষী মহল এসব কথা রটাচ্ছে। তাই আমি উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বলেছি আমাকে অন্য জায়গায় বদলি করে দিতে। আমি আর বিমান বন্দরে কাজ করতে চাই না। অন্য যেকোন জায়গায় আমাকে স্থানান্তর করা হোক আমার আপত্তি নেই।
এ বিষয়ে জানার জন্য আনসার চট্টগ্রাম রেঞ্জের কমান্ড্যান্ট মো. সামশুল আলমের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*