বাংলাদেশের দেশের শীর্ষস্থানীয় ওয়েষ্টার্ন মেরিন শীপইয়ার্ড লিঃ বিশ্ব বাজারে

বিশ্বের জাহাজ নির্মান শিল্পের বাজারে উদীয়মান ও অগ্রণী প্রতিষ্ঠান হিসাবে দেশের
অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে এ প্রতিষ্ঠান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন ও গৌরবজনক ভূমিকা রাখছে বাংলাদেশের জাহাজ নির্মান

সরকারের সাম্প্রতিক নীতিমালার কারনে ওয়েষ্টার্ন মেরিন শীপইয়ার্ড এর কর্মচাঞ্চল্য বৃদ্ধি
দেশের অফুরন্ত সম্ভাবনাময় জাহাজ নির্মান ও রপ্তানী শিল্পের প্রতি বর্তমান সরকার সুদৃষ্টি দিয়েছেন। যার ফলশ্রুতিতে
ইতোমধ্যেই জাহাজ নির্মান শিল্পের তারল্য সংকট মোকাবেলায় সকল ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সমুহ কে সকল প্রকার
মূলধন ঋণের সুদাসল ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ ভিত্তিক হিসাবায়ন করে ডাউনপেমেন্ট গ্রহন ব্যতিরেকে ৩ বছরের
মরেটরিয়াম সময় মঞ্জুরকরন পূর্বক পরবর্তী ১০ (দশ) বছরের ত্রৈমাসিক কিস্তিতে পরিশোধের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা
গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকল ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে নির্দেশনা প্রদান করেছেন। এ
নির্দেশনার আলোকে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান গুলো ওয়েষ্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড লি: এর মূলধনী ঋণ হিসাব সমুহকে
পু:ন তফশীলিকরন করে দিয়েছেন। যার কারনে প্রতিষ্টানটির অর্থপ্রবাহে ইতিবাচক প্রভাব বিরাজমান এবং এর জাহাজ
নির্মান কর্মকান্ডে ব্যাপক কর্মচাঞ্চল্য ও উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। ক্রমান্বয়ে যা আরো বেগবান হবে বলে প্রতিষ্ঠানটি আশা
করছে।
বর্তমান সদাশয় সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার আলোকে ব্যাংক ঋনের সর্বোচ্চ হার এক অংকে নির্ধারনের
কারনে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনা খরচ যথেষ্ট পরিমান কমবে যা এর নীট মুনাফা বৃদ্ধিতে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।
জাহাজ নির্মান শিল্পের উন্নয়নের জন্য বর্তমান সরকারের আরো বিভিন্ন প্রনোদনামূলক নীতিমালা চুড়ান্ত অনুমোদনের
জন্য বিবেচনাধীন আছে। যা বাস্তবায়ন হলে জাহাজ নির্মান শিল্প বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশকে অত্যন্ত গৌরবের আসনে
উন্নীত করবে।
বর্তমানে ওয়েষ্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড এ রপ্তানী ও দেশীয় চাহিদা পূরনে ৩৮ টি জাহাজ নির্মানাধীন আছে যার মধ্যে ৮টি
জাহাজ ভারত, নেদারল্যান্ড ও নরওয়েতে রপ্তানীর জন্য এবং বাকী ৩০ টি জাহাজ আভ্যন্তরীন চাহিদা পূরনে নির্মিত
হচ্ছে। ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ওয়েষ্টার্ন মেরিন শীপইয়ার্ড এ পর্যন্ত আভ্যন্তরীন ও রপ্তানীর জন্য মোট ১৪৩ টি
জাহাজ নির্মান করেছে যার মধ্যে ৩১ টি জাহাজ রপ্তানী করেছে এবং ১১২ টি জাহাজ দেশের আভ্যন্তরীন চাহিদা পূরনে
নির্মিত হয়েছে।
বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা ও দুরাবস্তার এ সময়ে সরকারের সুদৃষ্টি ও নীতিমালা সহায়তার কারনে ওয়েষ্টার্ন মেরিন
শীপইয়ার্ডে যে কর্মচাঞ্চল্য ও উদ্ধীপনার সৃষ্টি হয়েছে তার ফলস্বরূপ প্রতিষ্ঠানটি জাহাজ নির্মান শিল্পে অচিরেই অত্যন্ত
সুদৃঢ় অবস্থানে ও আর্থিক ভিত্তির উপর দাড়াতে পারবে এবং দেশকে উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তরিত করতে সহায়ক
ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

 spankbang