চট্টগ্রামে আগুন লেগেছে কৃষ্ণচূড়া গাছগুলোতে

নগরীর প্রধান ফটকে সিটি গেইট দিয়ে চট্টগ্রামে প্রবেশ করতেই হাতের বাম পাশে চোখ মেললেই লাল টুকটুকে কৃষ্ণচূড়া ফুল। সবুজ পাতার মাঝে যেন জ্বলছে আগুন! লাল, হলুদ ও সাদা এই তিন রঙের মধ্যে লাল ও হলুদ রঙের ফুলের দেখা মিলছে বেশি। বৈশাখের রোদ্দুরের সবটুকু উত্তাপ গায়ে মেখে নিয়েছে রক্তিম পুষ্পরাজি। হয়ত তাই গ্রীষ্মের খরতাপে অন্যভাবে সেজেছে চট্টগ্রামে কৃষ্ণচূড়া গাছগুলো।

ঘামঝরা দুপুরে কৃষ্ণচূড়ার ছায়া যেন প্রশান্তি এনে দিচ্ছে রাজধানীর যান্ত্রিক কর্মব্যস্ত মানুষের মনে। আর তাই তো এই সৌন্দর্য্য মহা আনন্দে উপভোগ করছে চট্টগ্রামের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ।কৃষ্ণচূড়ার সাথে পাল্লা দিয়ে চট্টগ্রামে আলো ছড়াচ্ছে জারুল, রাধাকৃষ্ণ, সোনালুসহ নানান ফুল। বৈশাখের শেষ দিক থেকে জৈষ্ঠ মাস এই ফুলগুলো সৌরভ দেয়।

জাকির হোসেন রাস্তায় ফুটেছে কৃষ্ণচূড়া। সি আর বি টাইগারপাস গোল চত্বর হয়ে ডিসি হিল যাবার সড়কে ও সংসদ ভবনের পিছের সড়ক গুলোতে ফুটেছে হলুদ, সোনালী, বেগুনিসহ বিভিন্ন রঙের ফুল। এর মধ্যে রয়েছে সোনালু, জারুল।চট্টগ্রামের অলিগলিসহ বিভিন্ন স্থানের সৌন্দর্য বর্ধণের জন্য কৃষ্ণচূড়া ফুলের গাছের পাশাপাশি জারুল। বিশেষ করে এয়ারপোর্ট রোড এলাকা, ফয়েজলেক আমবাগান শহরের অলিগলিতে এই গাছের দেখা মেলে। উষ্ণ বা গরম আবহাওয়ায় মূলত এই ভালো জন্মে। বনকতৃর্পক্ষ জানান,বাংলাদেশে এ ফুলগুলো ফোটে এপ্রিল থেকে জুন মাস পর্যন্ত। সৌন্দর্য বর্ধক গুণ ছাড়াও, এই গাছ উষ্ণ আবহাওয়ায় ছায়া দিতে বিশেষভাবে উপযুক্ত।

 spankbang