চট্টগ্রাম বিপ্লব ও বিপ্লবী স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদের আত্মপ্রকাশ

চট্টগ্রামের যুব বিদ্রোহের মহানায়ক মাস্টারদা সূর্যসেনের জন্মবার্ষিকীতে বুধবার (২২ মার্চ) রাতে এক সভায় গঠন করা হয়েছে ‘চট্টগ্রাম বিপ্লব ও বিপ্লবী স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদ’।

পরিষদে উপদেষ্টা হিসেবে রাখা হয়েছে খ্যাতিমান সাংবাদিক সিদ্দিক আহমেদ এবং ইতিহাস গবেষক মুহাম্মদ শামসুল হককে।

আহ্বায়ক হয়েছেন সাংবাদিক আলমগীর সবুজ ও সদস্য সচিব সাংবাদিক মিঠুন চৌধুরী।

সদস্য পদে আছেন শিক্ষক অসিত কুমার লালা, সাংবাদিক খোরশেদ আলম, অধ্যাপক রুহী সফদার, ডা. ভাগ্যধন বড়ুয়া, সাংবাদিক নিজাম সিদ্দিকী, আলোকময় তলাপাত্র,  আহসানুল কবির রিটন, আজাদ মঈনুদ্দিন, রমেন দাশগুপ্ত, মিন্টু চৌধুরী, সোহেল ইয়াসিন, শ্যামল ধর, সাইফ তামিম, মঈনুদ্দিন কাদের লাভলু, রাজীব বড়ুয়া, প্রীতম দাশ, জসিম উদ্দিন, সুজন ঘোষ, আবদুল্লাহ আল মামুন, সাইদুল ইসলাম, পার্থ প্রতিম বিশ্বাস, মোরশেদ তালুকদার, ফয়সাল করিম, রাহুল দাশ নয়ন, সৈয়দ মোহাম্মদ আতিকুর রহমান ও নাবিলা তানজিনা।
সভায় বক্তারা বলেন, চট্টগ্রাম শহর এবং রাউজান, বোয়ালাখালী, পটিয়া, চন্দনাইশসহ বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে বিপ্লবের নানা ঐতিহাসিক নিদর্শন। চট্টগ্রাম বিপ্লবের পর প্রায় নয় দশক পেরিয়ে যেতে চলেছে। এখনই বিপ্লবের সব গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতি সংরক্ষণ সম্ভব না হলে সেগুলো হয়তো হারিয়ে যাবে কালের গর্ভে। আমরা হারাবো আমাদের গর্বের ইতিহাস।

তাই চট্টগ্রাম বিপ্লবের ও বিপ্লবীদের স্মৃতি সংরক্ষণ এখন সময়ের দাবি। এ লক্ষ্যে গঠন করা হয়েছে এই পরিষদ। ‘চট্টগ্রাম বিপ্লব ও বিপ্লবী স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদ’বৃহত্তর চট্টগ্রামের যেসব স্থানে বিপ্লব এর স্মৃতি আছে তা সংরক্ষণে এবং জনসচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করবে সব সরকারি-সায়ত্বশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে। বিপ্লবের ইতিহাস পৌঁছে দেবে বাংলার আপামর জনসাধারণের কাছে। কারণ ইতিহাস সচেতন হলেই এগিয়ে যাওয়া যাবে ভবিষ্যতের উজ্জ্বল পথে।

পরিষদের নেতারা চট্টগ্রাম বিপ্লব ও বিপ্লবীদের স্মৃতি সংরক্ষণে বিভিন্ন ধরণের কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে একনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাবে বলেও অভিমত ব্যক্ত করেন।

 

 spankbang