স্ত্রী ও ফ্যামিলির টেনশনে ব্রেন ষ্ট্রোক হয় বেশী।

 স্ত্রী ও ফ্যামিলির টেনশনে ব্রেন ষ্ট্রোক হয় বেশী।চট্টগ্রামনিউজএজেন্সী: পরিবারের স্ত্রী ও ফ্যামিলির সদস্যদের নানা রকম টেনশনে  ব্রেন স্ট্রোক পুরুষের বেশী হয়। কেননা স্ত্রী স্বামীকে করে সন্দেহ , পুরুষদের অফিসের বাইরেও অনেক কাছ থাকতে পারে আর এসব কিছু প্রায় নারী বুঝতে রাজি না। রাতে বাসায় ফিরতে  একটু দেরী হলে প্রথমে বলে এত রাতে কোথায় গিয়েছ, যদি বলে হঠাৎ  বন্ধুর এক বোনের বিয়েতে যেতে হলো  বিশ্বাস করিনা ,কোন বান্ধবীর সাথে গিয়েছ বলো । শুরু করে মোবাইল কললিষ্ট চেক্ ?  অপরিচিত মোবাইল  নাম্বার দেখলে শুরু হয় বড় গন্ডগোল। এসব কারনে ব্রেন ষ্ট্রোক হয় পুরুষের বেশী।সারাদিন পুরুষরা বাসার বাইরে বিভিন্ন কাজকর্ম নিয়ে ব্যস্ততম সময় পার করে একমাত্র পরিবারের সদস্যদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য তবুও অবিশ্বাসের ছোয়াঁয় পুরুষের সংসার জীবন ধাবিত হয় মৃত্যুর দিকে।  ডাক্তাররা মনে করেন ফ্যামিলির টেনশন কারনে প্রতিদিন হাজার হাজার নারী পুরুষ ব্রেন ষ্ট্রোক রোগ নিয়ে কষ্টের জীবন যাবন করছে। চিকিৎসক দের মতে এসব রোগীকে মাইনেছ রোগী বলা হয়ে থাকে। স্বামী স্ত্রীর টেনশন একমাত্র ব্রেন ষ্ট্রোকের মূল কারন।  এসব রোগে যাকে একবার গ্রাস করেছে নিশ্চিত মৃত্যু নইলে কষ্টে কষ্টে ধুকে ধুকে মরতে হয় ভালো ভাবে কথা বলতে পারেনা, বলতে চায় অনেককিছু কিন্তু মুখে আসেনা কোন ভাষা।শুধু কান্না কাটিতে রোগের যন্ত্রনায় ছটফট করে। তবে বর্তমানে ভালোচিকিৎসা কেন্দ্র রয়েছে  মোটেই ভয় পাবেন না। শুধু সুস্থ করে নয়, এখন রোগীকে সচল করেও বাড়ি ফেরাচ্ছেন চিকিৎসকরা। আধুনিক এই চিকিত্সা পদ্ধতি শুরু হয়েছে কলকাতায়।
সাধারণ ভাবে ব্রেন স্ট্রোক হলে চিকিতসার জন্য খরচ হয় হাজার হাজার টাকা। এরপর অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় শরীরের কোনও অংশে প্যারালিসিস হয় যায়। কোনও মতে প্রাণে বাঁচিয়ে রোগীকে বাড়িতে ফেরান চিকিত্সকেরা। কিন্তু সে দিন এখন শেষ। এখন এসে গিয়েছে, স্ট্রোক রিহ্যাব পদ্ধতি।
স্ট্রোকের চিকিত্সার পর প্যারালিসিস থেকে রোগীকে মুক্তি দিতে চিকিত্সা করা হয়। এর জন্য হাসপাতালের মধ্যেই থাকে জিমখানা। প্যারালিসিস আক্রান্ত রোগীর ফিজিওথেরাপি যেমন চলে, তেমনই তাঁর আত্মবিশ্বাস ফেরাতে নানা পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়। তবে এক এক ক্ষেত্রে এক এক রকম পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়।
এবার আর সেই পুরনো পদ্ধতি নয়। খাস কলকাতাতেই এমন চিকিত্সা শুরু হয়ে গিয়েছে, যেখানে ব্রেন স্ট্রোকের পর প্যারালিসিসে আক্রান্ত হয়েও সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন সত্তর বছরের বৃদ্ধাও। অনেকেই ভাবছেন, এই রিহ্যাব পদ্ধতিতে হয়ত বিপুল খরচ সাপেক্ষ। যদিও, চিকিত্সকেরা বলছেন, খরচ খুব একটা বেশি নয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*